ফল ও সবজি কেনার পর মাত্র দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যাওয়ার পেছনে প্রধান কারণ ভুল সংরক্ষণ পদ্ধতি, এমনটাই জানিয়েছেন পুষ্টি ও খাদ্য সংরক্ষণ বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, শুধু ফ্রিজে রাখলেই সব খাবার দীর্ঘদিন ভালো থাকে না; বরং কোন খাদ্য কোথায় রাখা হচ্ছে, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পালং শাক, ধনেপাতা, লেটুস, ব্রকলি, গাজর, ফুলকপি ও শসার মতো সবজি ফ্রিজে রাখলে বেশি দিন সতেজ থাকে। তবে এগুলো সরাসরি ফ্রিজে না রেখে আগে শুকনো কাপড় বা টিস্যুতে মুড়ে রাখলে অতিরিক্ত আর্দ্রতা কমে এবং পচন বিলম্বিত হয়।
অন্যদিকে, টমেটো, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, কলা, কাঁচা আম ও অ্যাভোকাডোর মতো খাদ্য ফ্রিজে রাখলে উল্টো ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে টমেটো ফ্রিজে রাখলে স্বাদ কমে যায় এবং দ্রুত নরম হয়ে পড়ে। আলু ও পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য শুষ্ক ও অন্ধকার জায়গা সবচেয়ে উপযোগী বলে জানান তারা।
ফল ও সবজি একসঙ্গে সংরক্ষণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আপেল, কলা ও অ্যাভোকাডোর মতো কিছু ফল থেকে নির্গত ইথিলিন গ্যাস আশেপাশের খাদ্য দ্রুত পাকিয়ে দেয়, ফলে তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। তাই এসব ফল আলাদা করে রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া কাটা ফল বা সবজি খোলা অবস্থায় রাখলে দ্রুত নষ্ট হয়। এ ক্ষেত্রে এয়ারটাইট পাত্রে সংরক্ষণ এবং ভেতরে টিস্যু ব্যবহার করলে আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে থাকে। লেবু ও কমলালেবুর মতো সাইট্রাস ফল ফ্রিজে রাখলে দীর্ঘদিন ভালো থাকে বলেও উল্লেখ করেন তারা।
ধনেপাতা, পুদিনা বা পার্সলের মতো হার্বস সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি কার্যকর পদ্ধতির কথাও জানান বিশেষজ্ঞরা। সামান্য পানিভর্তি গ্লাসে এগুলো ফুলের মতো দাঁড় করিয়ে রেখে ওপর থেকে হালকা প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে ফ্রিজে রাখলে দীর্ঘ সময় সতেজ থাকে।
সবশেষে, একটি পচা ফল বা সবজি অন্যগুলোর সঙ্গে না রাখার পরামর্শ দিয়ে তারা বলেন, একটি নষ্ট খাদ্য দ্রুত আশেপাশের সবকিছুকে নষ্ট করে দিতে পারে। তাই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে পচা অংশ আলাদা করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক সংরক্ষণ পদ্ধতি অনুসরণ করলে খাবারের অপচয় কমে, পাশাপাশি সময় ও অর্থ সাশ্রয় হয় এবং রান্নাঘর আরও স্বাস্থ্যকর ও গোছানো থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পালং শাক, ধনেপাতা, লেটুস, ব্রকলি, গাজর, ফুলকপি ও শসার মতো সবজি ফ্রিজে রাখলে বেশি দিন সতেজ থাকে। তবে এগুলো সরাসরি ফ্রিজে না রেখে আগে শুকনো কাপড় বা টিস্যুতে মুড়ে রাখলে অতিরিক্ত আর্দ্রতা কমে এবং পচন বিলম্বিত হয়।
অন্যদিকে, টমেটো, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, কলা, কাঁচা আম ও অ্যাভোকাডোর মতো খাদ্য ফ্রিজে রাখলে উল্টো ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে টমেটো ফ্রিজে রাখলে স্বাদ কমে যায় এবং দ্রুত নরম হয়ে পড়ে। আলু ও পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য শুষ্ক ও অন্ধকার জায়গা সবচেয়ে উপযোগী বলে জানান তারা।
ফল ও সবজি একসঙ্গে সংরক্ষণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আপেল, কলা ও অ্যাভোকাডোর মতো কিছু ফল থেকে নির্গত ইথিলিন গ্যাস আশেপাশের খাদ্য দ্রুত পাকিয়ে দেয়, ফলে তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। তাই এসব ফল আলাদা করে রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া কাটা ফল বা সবজি খোলা অবস্থায় রাখলে দ্রুত নষ্ট হয়। এ ক্ষেত্রে এয়ারটাইট পাত্রে সংরক্ষণ এবং ভেতরে টিস্যু ব্যবহার করলে আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে থাকে। লেবু ও কমলালেবুর মতো সাইট্রাস ফল ফ্রিজে রাখলে দীর্ঘদিন ভালো থাকে বলেও উল্লেখ করেন তারা।
ধনেপাতা, পুদিনা বা পার্সলের মতো হার্বস সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি কার্যকর পদ্ধতির কথাও জানান বিশেষজ্ঞরা। সামান্য পানিভর্তি গ্লাসে এগুলো ফুলের মতো দাঁড় করিয়ে রেখে ওপর থেকে হালকা প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে ফ্রিজে রাখলে দীর্ঘ সময় সতেজ থাকে।
সবশেষে, একটি পচা ফল বা সবজি অন্যগুলোর সঙ্গে না রাখার পরামর্শ দিয়ে তারা বলেন, একটি নষ্ট খাদ্য দ্রুত আশেপাশের সবকিছুকে নষ্ট করে দিতে পারে। তাই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে পচা অংশ আলাদা করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক সংরক্ষণ পদ্ধতি অনুসরণ করলে খাবারের অপচয় কমে, পাশাপাশি সময় ও অর্থ সাশ্রয় হয় এবং রান্নাঘর আরও স্বাস্থ্যকর ও গোছানো থাকে।
ফারহানা জেরিন